Posts

Showing posts from June, 2026

মা: আমার পৃথিবী

  মা: আমার পৃথিবী রোদ চশমায় ঢাকা এই ব্যস্ত শহরে, শান্তির ছায়া শুধু তোমারই আঁচলে; হাজারো ব্যথার ভিড়ে যখন পথ হারাই, মা গো, আমি শুধু তোমাকেই ফিরে পাই। তোমার হাতের ছোঁয়ায় ম্যাজিক আছে জানি, মুছে যায় নিমেষেই চোখের সব নোনা পানি। সবাই যখন হিসেব কষে হার-জিতের মেলায়, তুমিই আগলে রাখো আমায় পরম মমতায়। তুমিহীন এই ভুবন যেন মরুভূমির তপ্ত বালু, তুমিই আমার আঁধার ঘরের এক চিলতে আলো। অভিমানী এই ছেলেটা/মেয়েটা হয়তো অনেক কাঁদায়, তবুও তোমার দোয়ার হাত সবসময় আমায় বাঁচায়। কোনো দামি উপহারে কি আর তোমায় মাপা যায়? তুমিই তো শ্রেষ্ঠ সম্পদ আমার এই জিন্দেগায়। প্রতিটা জনম যেন তোমার কোলেই ঠাঁই পাই, মা গো, তোমাকে আমি বড্ড ভালোবাসি, শুধু এটুকুই জানাই। "শুভ মা দিবস, মা! আমার জীবনের প্রতিটা পদক্ষেপে তোমার যে নীরব সমর্থন আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ছিল, তার ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারবো না। তুমি আছো বলেই আমি আছি। অনেক ভালো থেকো মা।"

সাফল্যের জয়গান

  সাফল্যের জয়গান: বন্ধু পিয়াসের তরে স্কুলবেলার সেই চঞ্চল দিন, স্মৃতির পাতায় জমা, আজ তুই আকাশ ছুঁয়েছিস, নেই যে তাহার ক্ষমা! আনন্দমোহনের প্রাঙ্গণে আজ তোরই নামের সুর, নেতৃত্বের এই দীপ্ত শিখায় আঁধার হবে দূর। পিয়াস বন্ধু, তোর সাহসে গর্বিত আজ সবাই, ত্যাগের পথে লড়বি তুই, এটাই মোরা চাই। ছাত্রদলের পতাকা হাতে বীরের মতো চল, তোর পেছনেই থাকবে সদা মোদের বন্ধুদল। সহ-সভাপতির এই গুরুভার করবি তুই জয়, ন্যায়ের পথে থাকবি অটল, করবি না কভু ভয়। স্কুলবেলার সেই স্বপ্নগুলো সত্যি হলো আজ, তোর কপালে শোভা পাক নেতৃত্বের এই তাজ। মেধা আর ওই শ্রমের জোরে পৌঁছে যা শিখরে, তোর নামটা থাক লেখা সব মানুষের অন্তরে। শুভকামনা রইল বন্ধু, পথ চলা হোক শুরু— তুই হবি আগামীর সেই অদম্য এক গুরু!
 "এক চিলতে হাসি আর এক বুক শান্তি নিয়ে আসুক এবারের ঈদ। ফেলে আসা দিনের সব অনুশোচনা ভুলে গিয়ে, নিজের আত্মমর্যাদা আর নতুন স্বপ্নকে সঙ্গী করে পথ চলা শুরু হোক আজ থেকেই। আপনি এবং আপনার পরিবার ভালো থাকুন সব সময়।"

সাধারণ ও সর্বজনীন

  সাধারণ ও সর্বজনীন  রমজান শেষে এল খুশির সেই পবিত্র দিন, মুছে যাক আজ হৃদয়ের যতো যাতনা আর ঋণ। একই সাথে ভাগ করে নিই সেমাই আর মিষ্টি, সবার ওপর বর্ষিত হোক স্রষ্টার এক শুভ দৃষ্টি। ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে আজ হাত মেলাই হাতে, শান্তি থাকুক প্রতিটি ঘরে আর প্রতিটি পাতে। চাঁদ রাতের ঐ খুশির আমেজ থাকুক চিরস্থায়ী, ঈদের আনন্দে পূর্ণ হোক তোমার সারাটি দিনই। ঈদ মোবারক!

আত্মমর্যাদা ও বন্ধুত্বের জন্য

  আত্মমর্যাদা ও বন্ধুত্বের জন্য  পুরনো ব্যথার খাতাটা আজ সিন্দুকে তোল, হৃদয়ের ঐ রুদ্ধ দুয়ার সজোরে আজ খোল। কেউ পাশে নেই বলে কি ঈদ হবে না তোমার? নিজের সাথেই করো না আজ খুশির ঐ কারবার। আত্মমর্যাদা সঙ্গী করে হেসো তুমি আজ ভোরে, নিজের মাঝে খুঁজে নাও শক্তি সযতনে করে। ক্ষমা করো তারে আজ, যে গিয়েছে তোমায় ফেলে— তুমি চলো নিজ পথে আশার প্রদীপ জ্বেলে। শুভ ঈদ-উল-ফিতর!

প্রিয়তমার জন্য

   প্রিয়তমার জন্য  তুমি কি সেজেছো আজ বাসন্তী সাজে? নাকি লাল শাড়িখানি তুলে রেখেছো লাজে? অবহেলার যতো ধূলো সব আজ যাক ধুয়ে, ঈদের এই চাঁদ হাসুক তোমার কপাল ছুঁয়ে। অভিমানী মেঘগুলো যাক আজ দূরে সরে, এক চিলতে হাসি ফুটুক তোমার অধর ভরে। সালামি নয়, তোমার একটু দেখাই শ্রেষ্ঠ পাওয়া, তোমার পাশে কাটুক আমার ঈদের শীতল হাওয়া। ঈদ মোবারক!

হৃদয়ের ঈদী

হৃদয়ের ঈদী ঈদের এই চাঁদের সাথে                                                                                                                                                                  নামুক খুশির ধারা,                                                                             ...

ঈদের সকালের আত্ম-সংকল্প

  ঈদের সকালের আত্ম-সংকল্প "আজকের এই পবিত্র দিনে আমি নিজেকে ক্ষমা করলাম। আমার যতো ভুল, যতো না-পাওয়া আর যতো অবহেলা ছিল—সবই আজ বিসর্জন দিলাম। আমি আজ থেকে নিজের 'আত্মমর্যাদা' নিয়ে বাঁচবো। কারো অভাব যেন আমার হাসি কেড়ে নিতে না পারে। আমি সুন্দর, আমি পূর্ণ এবং আমি আজ থেকে নিজের জীবনের শ্রেষ্ঠ কারিগর।"

ঈদের নীরব শুভেচ্ছা

  ঈদের নীরব শুভেচ্ছা "পুরনো সব অভিমান আর না-বলা কথাগুলো আজ ঈদের এই পবিত্র চাঁদের আলোয় ধুয়ে যাক। তুমি যেখানেই থাকো, যার সাথেই থাকো—ঈদের এই দিনটি তোমার জীবনে বয়ে আনুক এক আকাশ সমান সুখ। তোমার হাসিখুশি মুখটাই আমার কাছে ঈদের সেরা উপহার। ভালো থেকো খুব। ঈদ মোবারক।"

ফিরে আসার ঈদ

  ফিরে আসার ঈদ বাঁকা চাঁদ আজ উঠেছে ওই নীল আকাশের কোণে, খুশির জোয়ার বইছে আজ সবার ঘরের মনে। রমজান শেষে এল খুশির সেই পবিত্র দিন, মুছে যাক আজ হৃদয়ের যতো যাতনা আর ঋণ। তুমি কি সাজবে লাল শাড়িতে ঈদের ওই প্রভাতে? নাকি হাতটি আমার রাখবে আজও একলা শূন্যপাতে? অবহেলার যতো ধূলো ঝেড়ে আজ করো না ক্ষমা, বুকের ভেতর থাক না কেন যতোই কষ্ট জমা। ঈদ মানে তো আলিঙ্গন আর মিষ্টি মুখের হাসি, ঈদ মানে তো মনে রাখা—তোমায় কতোটা ভালোবাসি। সালামি নয়, তোমার একটু দেখাই হবে শ্রেষ্ঠ পাওয়া, তোমার পাশেই কাটুক আমার ফাগুন বেলার হাওয়া। সবাই যখন মেতে উঠবে নতুন রঙের সাজে, আমি শুধু খুঁজবো তোমায় আমার মনের মাঝে। ঈদ মোবারক জানাই তোমায় এই দূরত্বের পথ ধরে, সুখে থেকো, ভালো থেকো ঈদের এই অঝোর তরে।

অদৃশ্য হারানো

  অদৃশ্য হারানো তুমি তো পাশে নেই কোনোদিন, তবু কেন হারাই? শূন্যতার এই মিছিলে আমি একাই শুধু দাঁড়াই। যে মানুষ কোনোদিন ছিল না আমার অধিকারে, সে কেন তবে বারবার আসে স্মৃতির ঐ দ্বারে? অজানা কারণে বুকের ভেতর হঠাৎ ওঠে ঝড়, নিজের ঘরেই নিজেকে মনে হয় বড় বেশি পর। তুমি নেই, কোনো দাবি নেই, নেই কোনো পিছুটান— তবুও কেন অবাধ্য মন গায় বিরহের গান? লাল শাড়ির ঐ ছায়াটি বুঝি মিলায় গোধূলি বেলায়, আমি কেন তবে খড়কুটো খুঁজি ভাগ্যের অবহেলায়? না থেকেও তুমি হারিয়ে যাও প্রতিটা নিশ্বাসে, যেন এক চিলতে রোদ লুকিয়ে থাকে মেঘের অট্টহাস্যে। এই হারানোর নেই কোনো নাম, নেই কোনো ইতিহাস, এ যেন নিজের সাথেই নিজের এক নীরব পরিহাস। তুমিহীন এই ভুবনে আমি খুঁজি তোমায় রোজ— অজানা ব্যথায় ডুবে গিয়ে পাই না নিজের খোঁজ।

নামহীন বেদনার কাব্য

  নামহীন বেদনার কাব্য বুকের ভেতর চিনচিনে এক নাম না-জানা রেশ, বুঝতে পারি না কোথায় শুরু আর কোথায় এর শেষ। সবই তো আছে, হাসছি তো বেশ সবার ভিড়ে মিশে— তবুও কেন একলা আমি বিষাদের এই বিষে? হয়তো কোনো পুরনো দিনের হারানো কোনো সুর, হয়তো কোনো অপূর্ণতা বইছে বহুদূর। অবহেলার সেই কাঁটাগুলো আজও কি বিঁধে আছে? নাকি মনের গোপন আশা হার মেনেছে পাছে? কেউ জানে না এই হাসির পিছে কতোটা দীর্ঘশ্বাস, নিজের কাছেই নিজের মন আজ করছে না বিশ্বাস। অজানা এই ব্যথার নদী বইছে যে আজ চুপে, আমিও চলি ছদ্মবেশে একাই অচিন রূপে। এই ব্যথা তো মেঘের মতন, আসবে আবার যাবে, সব কথা কি এই দুনিয়ায় সঠিক উত্তর পাবে? আমি নাহয় এই ব্যথাতেই নিজেকে চিনে নেব, অজানাকেই আগলে রেখে নতুন জীবন দেব।